না জানা উদ্দেশ্যে পারি দেয়া সেই কিশোর-কিশোরীকে অবিভাবকের কাছে হস্তান্তর

না জানা উদ্দেশ্যে পারি দেয়া সেই কিশোর-কিশোরীকে অবিভাবকের কাছে হস্তান্তর

সবুজবার্তা ডেস্ক: প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে অজানার উদ্দেশ্যে পারি দেয়া সেই কিশোরকিশোরীকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে তাদের অবিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের উভয় জনের অবিভাবকরা চাটমোহর থানায় এসে তাদের নিজ নিজ গুনধর সন্তানদের বুঝে নিয়ে নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন

এর আগে গত সোমবার সন্ধ্যায় পাবনার চাটমোহর নতুন বাজার এলাকায় তারা গন্তব্যহীনভাবে ঘোরাফেরা করছিল। এসময় তাদের গতিবিধী সন্দেহ জনক মনে করে স্থানীয়রা তাদের ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদের এক মূহুর্তে বেরিয়ে আসে তাদের সমস্ত লক্ষ উদ্দেশ্য। কিশোর দুজনকে তাদের আত্মীয় স্বজনের নিকট পৌছানোর জন্য স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে চাটমোহর থানার এসআই মনসুর আলি নতুন বাজার থেকে তাদের থানা হেফাজতে নিয়ে যান

উল্লেখ্যঘটনার বিবরনে জানা যায়, ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে এক স্কুলে পড়ার সুবাদে পরিচয়, তারপর পরিণয় অতঃপর অজানার উদ্দেশ্যে পারি দেয় এই কিশোর কিশোরী। দুজনে একই স্কুলের শিক্ষার্থী। এবার জেএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। ঢাকা মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্রছাত্রী তারা। তিন বছর ধরে প্রেম করেছে এই দুই শিশু (এখন কিশোরকিশোরী)

অসম বয়সে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে লুকিয়ে লুকিয়ে চুটিয়ে প্রেম করে অজানা পথের যাত্রী এই দুই কিশোর কিশোরী সম্প্রতি শেষ হওয়া জেএসসি পরীক্ষা দিয়েই সিদ্ধান্ত নেয় বেরিয়ে পড়বে অজানার উদ্দেশ্যে। দুঃসাহসিক প্রেমের অভিযাত্রী এই দুই অবুঝ শিক্ষার্থী ঢাকা থেকে ট্রেনযোগে চলে এসেছে পাবনার চাটমোহরে। এই কিশোর প্রেমিক যুগলদ্বয়ের পরিচয় হলো কিশোরগঞ্জ জেলার জঙ্গলবাড়ী এলাকার মোহাম্মদ আলমের ছেলে মোহাম্মদ সোহাগ (১৪) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর মনিপুরের আদম কাজীর মেয়ে ফাতেমা (১৩)

দুই পরিবারের চোখ ফাকি দিয়ে তারা তিন বছর ধরে প্রেম করে আসছিল। বয়সে অপরিপক্ক এই প্রেমিকযুগলের প্রেম পরিবারের কেউই কিছুতেই মেনে নিচ্ছিল না। শাসনের চোখ, বাধা আর পারিবারিক ঝামেলা এড়াতে দুজন দুজনকে আরও কাছে পেতে ঘর বাধার এক বুক স্বপ্ন নিয়ে সবার চোখ ফাকি দিয়ে এই যুগল চলে আসে চাটমোহরে বাস্তবতা কাকে বলে, এসবের ভবিষ্যৎ কি, কিছুই ভাববার সুযোগ হয়ত পায়নি তারা। শিশু মনে শুধু ছিলো অজানা রহস্যের উম্মাদনা

আরো খবর: