শীতকাল মানেই শিশুর দুরন্তপনা

শীতকাল মানেই শিশুর দুরন্তপনা

আরমান হোসেনঃ এখন শীতকাল, সারাদেশে বইছে শীতের জোয়ার। চারদিকে কুয়াশা, কোন দিন সূর্য দেখা যায় আবার কোন দিন বা দেখা যায় না। শীতে কাপছে জোয়ান, বৃদ্ধ। কিন্তু এই শীতকাল শিশুর অানন্দ, উপভোগ ও দুরন্তপনার উপযুক্ত সময়। বার্ষিক
পরীক্ষার পর এই সময়টাতে শিশুরা ব্যস্ত থাকে খেলাধুলা, দৌড়াদৌড়ি, নানীর বাড়িতে বেড়ানো ইত্যাদি নিয়ে। সকাল হলেই দেখা যায়, যেখানে ভাপা পিঠা বিক্রি করে সেখানে শিশুরা গিয়ে ভীড় জমিয়েছে। আবার দেখা যায়, সকাল বেলা যেখানে গাছের ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো পড়েছে সেখানে শিশুরা গুটিশুটি হয়ে বসে পড়েছে কখনও বা রোদ পড়েছে এমন জায়গা নিয়ে শিশুদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া বেধে গেছে। গ্রাম্য এলাকায় এসব ঘটনা দেখেনি এমন লোক বোধহয় কমই আছে। গত কয়েকদিন যাবৎ আমার পড়ার ঘর থেকে কিছু শিশুর কোলাহল শুনতে পাই। খেয়াল করে দেখলাম বাড়ির পশ্চিম পাশের পতিত জমি থেকে শিশুর কোলাহল আসছে।

বাড়ি থেকে বের হয়ে সেখানে গেলাম। গিয়ে দেখি ২০-২৫ জন শিশু খেলাধুলা করছে। কয়েকজন মেয়ে খেলছে বৌ-চি, কয়েকজন ছেলে খেলছে গোল্লাছুট। আবার ৮ জন ছেলেকে দেখলাম দাড়িয়াবান্ধা খেলতে। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা খেলছে কানামাছি। দূর্ভাগ্যবশত সেদিন মোবাইল সঙ্গে না নিয়ে যাওয়ায় ছবি তুলতে পারলাম না।
তারপর আজ গেলাম মোবাইল নিয়ে। গিয়ে পরিস্থিতি দেখে বুজতে পারলাম আমার দেরি হয়ে গেছে। তারপরও কিছু শিশুকে দেখলাম কলাগাছ দিয়ে ঘুরনী বানিয়ে খেলাকরছে, কিছু শিশু মার্বেল খেলছে আবার কেউ খেলছে ডাংগুলি। আমি ছবি তুলছি কিন্তু সেটির প্রতি তাদের কোন আকর্ষনই নেই, তারা মেতে আছে তাদের খেলা
নিয়ে। এ ব্যাপারে অভিবাবক আফরোজা বেগম বলেন, “হারাদিন খালি খেলার ধান্দায় থাহে,খাওয়া-দাওয়া, গোসলের কতা খেল থাহে না”। ছবি তুলে আসার সময় শিশু মোস্তাকিম (১১) বলে, “কালকে আইয়েন কলা গাছের খোল দিয়ে ইট ভা টা বানামু।

আরো খবর: