বিশেষ শিশুর মানসিক বিকাশে পুষ্টি ও সহযোগিতা

বিশেষ শিশুর মানসিক বিকাশে পুষ্টি ও সহযোগিতা

সবুজবার্তা ডেস্কঃ  আপনার একটু মধুর হাসি শিশুর মানসিক বিকাশে বাড়িয়ে দিতে পারে আরো একধাপ ওপরে। একজন শিশু কিভাবে বিকশিত হবে, পরবর্তীতে কিভাবে সে দেশকে পরিচালনা করবে, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে মায়ের গর্ভাবস্থা থেকে শিশুর বড় হওয়া পর্যন্ত। কিভাবে লালিত পালিত হচ্ছে তার উপরে। তাই গর্ভাবস্থায় বিশেষ যত্নের প্রয়োজন।

যেমন পুষ্টিকর ও পরিমান মতো খাবার গ্রহন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম, নিয়মিত শরীর পরীক্ষা করানো, চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা রাখা, ভারী ও অতিরিক্ত কাজ না করানো, ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলা ইত্যাদি। নিরাপদ প্রসব আরো একটি গুরূত্বপূর্ণ বিষয়। শিশু প্রসবে যদি কোনো সমস্যা হয় তাহলে মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে পারে, যা শিশুর সার্বিক বিকাশকে বিলম্বিত করবে।

একজন শিশু প্রসব হওয়ার পর অবশ্যই বিশেষজ্ঞ দ্বারা পরীক্ষা করাতে হবে। প্রথম ছয় মাস শিশুকে শুধু মায়ের বুকের দুধ পান করাতে হবে। ছয় মাসের পর মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার দিতে হবে। যেমন:খিচুরি, সবুজ শাকসবজি, ডিম, দুধ, মাছ, গোশত ইত্যাদি। এগুলো শিশুর পুষ্টির চাহিদা পূরণ করবে। কিন্তু শিশুর শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশকে প্রশমিত করার আরো কিছু ক্রিয়াকলাপের প্রয়োজন। সেটি হল মা-বাবা ও প্রতিবেশীর সাথে শিশুর পারস্পরিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া। শিশুর জন্মের সময় তার ব্রেনের সব সেল নিয়েই জন্মগ্রহন করে। পরে কেবল সেগুলোর মধ্যে সংযোগ ঘটনার মত বৃদ্ধি পায়।

সাধারণত জন্ম থেকে ৫ বছরের মধ্যে একজন শিশুর মস্তিষ্ক আশি ভাগ বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। সময়ের সাথে বৃদ্ধি আরো পরিপূর্ণ হয় এবং আরো পরিপক্ক হয়। মস্তিষ্কের এই বিকাশকে ত্বরান্বিত করতে আপনারও রয়েছে বিরাট ভূমিকা। আমাদের দৈন্দনিন কর্যিকলাপে যতবারই শিশুর সাথে দেখা হোক না কেন, ততবারই তার সাথে অনেক আন্তরিকভাবে পারস্পরিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া ঘটাতে হবে।

শিশুর সাথে কিছু সময় ব্যয় করতে হবে। শিশুর নাম জিজ্ঞাসা করতে হবে, বিভিন্ন কথা বিনিময় করতে হব্ হেঁসে হেঁসে কথা বলতে হবে। কথা বললেই হবে না শিশুকে সাড়া দিতে উৎসাহিত করতে হবে।

আরো খবর: