ইভটিজিংয়ে বাঁধা দেওয়ায় প্রিন্সিপালকে কোপালো ৪ শিক্ষার্থী

ইভটিজিংয়ে বাঁধা দেওয়ায় প্রিন্সিপালকে কোপালো ৪ শিক্ষার্থী

সবুজবার্তা ডেস্ক : রোববার সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের ইয়াকুবুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় ৪জন ছাত্র মিলে প্রিন্সিপালকে কুপিয়েছে। হামলার পর ওই শিক্ষার্থীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।

অভিযুক্ত ওই ৪ ছাত্র হলো, সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের বেড়াজালি গ্রামের নুরুজ আলীর (১৬), একই গ্রামের আলতা মিয়ার ছেলে মুনতাছির বিলাল (১৫), মোহাম্মদ লিয়াকত আলীর ছেলে নাহিদ (১৭) ও ফজর আলীর ছেলে মোঃ সুমন (১৬)।

আহত শিক্ষকের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার নিচিন্তপুর গ্রামে। তিনি নিচিন্তপুর গ্রামের মরহুম আব্দুস সোবাহানের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, নুরুজ আলীর নেতৃত্বে দুপুরে তারা প্রিন্সিপালের অফিস কক্ষে গিয়ে দাড়ালো রামদা, দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। জানা গেছে, অফিস রুমের পাশে কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত থাকলেও প্রধান শিক্ষকের চিৎকারে কেউ এগিয়ে আসেনি।

প্রিন্সিপালের স্ত্রী ঘটনার খবর পেয়ে এসে আশপাশের লোকজনের সহায়তায় তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দুপুর দেড়টার দিকে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হামলার শিকার ওই শিক্ষককের স্ত্রী পেয়ারা বেগম বলেন, হামলাকারী ছাত্রের ৪জনই ইয়াকুবুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল।

ইভটিজিংয়ের দায়ে নুরুজ আলীকে বিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করা হয় । অন্য ৩জন ছাত্র গত বছর বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি পরীক্ষা দেয় ।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী শাখাওয়াত হোসেন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখনও কেউ অভিযোগপত্র দাখিল করেনি। অভিযোগ করলে  ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ।

 

আরো খবর: