মাস্টারের ভয়ে স্কুলে যাই না

মাস্টারের ভয়ে স্কুলে যাই না

শিমুল আহমেদ তরঙ্গ : ছোট্ট একটি ছেলে সজীব । বয়স ৮-৯ বছর হবে , সঠিক বয়স টা নিজের ও জানা নেই। সারাদিনের ঠিকানা নরসিংদী সরকারী কলেজের মাঠ । তার কাজ ,সারাদিন ঘুরে ঘুরে ৫টাকা ১০ টাকা করে যোগাড় করা। সারাদিনে এই ৩০-৪০ টাকা রোজগার হয়।

সেখান থেকে অর্ধেক টাকা দিয়ে খাবার খায়, আর বাকি টাকা তার ছোট্ট ব্যাংকে জমায় । তার ইচ্ছে টাকা জমিয়ে একটি স্কেট রোলার কিনবে । তার সমান ছোট শিশুরা যখন বিকেলে কলেজের মাঠে এই ২চাকার যানটি দিয়ে খেলা করে তখন তার খুব ইচ্ছে করে ইকটু চালাতে।

কিন্ত সাহস হয় না। তাই নিজেই কিনবে সে।
আজকে বিকেলে মাঠে ঘুরতে ঘুরতে দেখা হলো ছেলেটির সাথে। এই কথায় সেই কথায় বের হলো কিছু কথা।
সে থাকে নরসিংদী’র বিলাসদী এলাকায়। বাবা ফেরীওয়ালা, আর মা অন্যের বাসায় কাজ করে। ৩ ভাই-বোনের মধ্যে বড় এক ভাই আর ছোট এক বোনের সাথে ছোট্ট বাসাটায় থাকে সে। ক্লাস টিচারের ভয়ে স্কুলে যেতেও খুব ভয় পায় সে। পড়ালেখাটাও এখন আর করা হয় না। উল্লেখ্য যে, স্কুলে ছাত্রদের গায়ে হাত তুলা বা মারা নিষেধ থাকলেও এখনো অনকে স্কুলে এই নির্যানত চলে । আমরা কেউ কেউ দেখেও না দেখার ভান করি ।

কিন্তু তাই বলে স্বপ্ন দেখতে তো আর বাধা নেই। তার স্বপ্ন পাইলট হয়ে আকাশে ভ্রমন করবে ।

 

পূরণ কি হবে তার স্বপ্ন? এই শিশুদের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাচ্ছে?? ওদের পাশে কি দাড়ানোর জন্য কাওকে পাওয়া যাবে না???

আরো খবর: