সর্বশেষ:

কমছে না শিশু শ্রম

কমছে না শিশু শ্রম

মেহেদী (১৬) ময়মনসিংহ:  দেশে ১৮ বছরের কম বয়সীদের গৃহশ্রমে নিযুক্ত না করায় হাইকোর্টের রায় ঘোষণার পরও তা কার্যকর হচ্ছে না। বাংলাদেশে গৃহকর্মে নিয়োজিতদের সিংহভাগই কিশোর-কিশোরী ও শিশু। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জাতীয় শিশুশ্রম জরিপ-২০১০ সালের তথ্যানুযায়ী গৃহকর্মে নিয়োজিত মোট শিশু (৫-১৭ বছর বয়সী) শ্রমিক এক লাখ ২৫ হাজার। জাতীয় শিশুনীতি-২০১০ এর খসড়ায় বলা হয়েছে, ১৮ বছরের কম বয়সীদের সার্বক্ষণিক শিশুশ্রমে নিয়োগ করা যাবে না, কিন্তু বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে প্রায় ৩০০ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ অর্থনৈতিক কাজে শিশুরা শ্রম দিচ্ছে।

দেশের প্রচলিত আইনে শিল্প কারখানায় শিশু শ্রম নিষিদ্ধ হলেও জীবিকার প্রয়োজনে শৈশব অবস্থায় অনেক শিশুকে নানা ধরনের শ্রমে নিয়োজিত হতে হচ্ছে ৷ শহর, গ্রাম উভয় অঞ্চলেই শিশু শ্রমিক নিয়োগ করা হয় ৷ সরকারের পরিসংখ্যান বিভাগের হিসেব মতে দেশের মোট শ্রমিকের ১২% শিশু শ্রমিক; এ হিসেবে কেবল মাত্র নিবন্ধনকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিশু শ্রমিকদের ধরা হয়েছে ৷ অনিবন্ধনকৃত বা ননফরমাল সেক্টরে কর্মরত শিশু শ্রমিকদের হিসেব করলে এ সংখ্যা আরো বাড়বে ৷ শুধু শহরাঞ্চলেই চরম দারিদ্র্য ও বঞ্চনার মাঝে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে।

শিশু শ্রমিকরা অনেক ঝুঁকিপূর্ন কাজে লিপ্ত হচ্ছে ,এই ঝুঁকিপূর্ন কাজের পিছনে আছে দারিদ্রতা । দারিদ্রতাই শিশু শ্রমের প্রধান কারন হয়ে দারিয়েছে ,
আমাদের দেশে দারিদ্রতা যদি না থাকে তবে শিশু শ্রম কমে আসবে। প্রতিদিনই শিশুরা দু’বেলা দু’মুঠো অন্নের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে । এসময় কয়েকটি শিশুকে প্রশ্ন করলে তার বলে পরিবারে উপার্যনের জন্য এক মাত্র ব্যাক্তি তিনি । যার কারণেই কাজে আসতে হচ্ছে ।

অথচ এই বয়সে এদের হাতে থাকার কথা বই খাতা, কিন্তু বই খাতার পরির্বতে তাদের কে জীবিকার জন্য নানা কাজ করতে হচ্ছে ।শিশু শ্রমের প্রতিকারের জন্য সরকারি সংস্থা সহ নানা বেসকারী সংস্থা কাজ করছে ,কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না ।

বাংলাদেশে শিশু শ্রম ঠেকানোর জন্য অনেক আইন থাকলেও শিশু শ্রম ঠেকানো যাচ্ছেনা ।শিশুরা ঝুঁকিপূর্ন কাজ করে নানান অসুখে ভুগছে , অতিরিক্ত কাজের ফলে তাদের শরীরের গঠন হচ্ছে না ।
শিশু শ্রমিকদের দেখা যাচ্ছে চায়ের দোকানে , বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি ধোয়ার কাজে ও গেরেজে

 

এসবি-শিশু অধিকারের যতকথা/ ৫ নভেম্বর,২০১৫/মেহেদী

আরো খবর: