ভর্তি ফি বেশি নিচ্ছে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়

ভর্তি ফি বেশি নিচ্ছে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়

আসিফ (১৬) শরীয়তপুর :শরীয়তপুর  জেলায়  মাত্র দুইটি সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। একটি পালং তুলাসার গুরুদাস সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় অপরটি শরীয়তপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। সরকারী নিয়ম নীতি মেনে ষষ্ঠ শ্রেনীতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভর্তি ফি নেয়া হয়েছে ১০টাকা। কিন্তু অথচ শিক্ষার্থীদের ভর্তি হতে সর্বসাকুল্যে লেগেছে ১হাজার ৪৬০টাকা। এর মধ্যে ৪০ টাকা যাবে সরকারী ফান্ডে অন্যান্য টাকা কোথায় যাবে তা অনেকেরই জানা নাই।
শরীয়তপুর জেলা শহরে অবস্থিত শরীয়তপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও পালং তুলাসার গুরুদাস সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে শাটানো নোটিশ থেকে জানা যায়, ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেনীতে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তির্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে ষষ্ঠ শ্রেনীর ভর্তি ফি ১হাজার ৪৬০টাকা। এই সঙ্গে বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে। আরও বলা রয়েছে বেসরকারী অংশ সকল শ্রেণীর জন্য একই।
বিদ্যালয়ের শ্রেনী শিক্ষকদের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, ভর্তি ফি ১০টাকা, মার্চ-২০১৪ পর্যন্ত বেতন ৩০টাকা মোট ৪০ টাকা সরকারী ট্রেজারীতে জমা হবে। অবশিষ্ঠ টাকা থেকে ৩ মাসের টিফিন ফি ২২৫টাকা কাটা হবে। সর্বশেষ ১হাজার ১৯৫টাকা বাকি খেলা-ধুলা, মিলাদ, পূজা ও উন্নয়ন ফান্ডে যাবে।
শিক্ষার্থী অভিভাবকদের সাথে আলাপ কালে জানায়, তাদের অনেকেরই ছেলে-মেয়েরা আগের থেকেই এ সরকারী স্কুলে পড়ে। এবারও সন্তান ষষ্ঠ শ্রেনীতে ভর্তি হয়েছে। যারা আগের থেকেই পড়ে তাদের জন্য প্রতি মাসেই আলাদা ইন্টারনেট ফি, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মীর জন্য টাকাসহ বিভিন্ন বিল পরিশোধ করতে হয় তাদের। প্রতি মাসে বাধ্যতামূলক টিফিন ফি দিতে হয় অথচ তাদের বাচ্চারা নিয়মিত টিফিন পায় না। তাদেরও প্রশ্ন কর্তৃপক্ষ এত টাকা নেয় তা কি করে? এ প্রশ্নের উত্তর কার কাছে?
অভিভাবকগণ আরও বলে, শিক্ষকরা যদি ছলচাতুরি করে আমাদের কাছ থেকে টাকা নেয় তাহলে শিক্ষার্থীরা কি শিখবে। আমরাতো মনে করি ছেলে-মেয়েরা আমাদের ভুল বুঝাইয়া অতিরিক্ত টাকা নেয়। আমাদের ভুর ধারনা ভাঙ্গল এবার। এর সাথে স্যাররাই জড়িত ।

 

এসবি- আমাদের বিদ্যালয় /০৬ জানুয়ারি,২০১৬/শুভ্র

আরো খবর: