শিশুদের যখন কিডনি রোগ

শিশুদের যখন কিডনি রোগ

শিশুদের বিভিন্ন বয়সে ভিন্ন ভিন্ন কিডনি সমস্যা হয়ে থাকে।

যেমন:

১. ১-৩ বছরের শিশুর একনাগাড়ে জ্বরের কারণ হতে পারে মূত্রতন্ত্রের সংক্রমণ। শিশুর ওজনে না বাড়া, ডায়রিয়া, বমি এসব উপসর্গ থাকতে পারে।

২. ৩-৬ বছর বয়সে বেশি দেখা যায় নেফ্রোটিক সিনড্রোম। প্রথমে মুখে ও চোখের পাতায় ফোলা শুরু হয়ে তিন-পাঁচ দিনের মাথায় সারা শরীরে পানি আসে, প্রস্রাব ঘোলা হয়।

৩. ৬-১৪ বছর বয়সের স্কুলগামী শিশু খোস-পাঁচড়া বা গলাব্যথায় আক্রান্ত হওয়ার দুই-তিন সপ্তাহ পর সারা শরীর ফুলে যেতে পারে। প্রস্রাব লাল রঙের হতে পারে, রক্তচাপ বেড়ে যায়।

৪. নবজাতক শিশু কিডনি ও মূত্রতন্ত্রের নানা জন্মত্রুটি নিয়ে জন্মাতে পারে।

এছাড়াও শিশুদের কিডনি রোগের কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যণ:

> কিছুদিন পরপর জ্বর হওয়া ।

> প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া এবং শরীর ফোলা ।

> পেটের এক বা উভয় পাশে অথবা তলপেট ফুলে ওঠা।

> জন্মের পর থেকে এক ধারায় প্রস্রাব না করা, ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব করা ।

> প্রস্রাবের অস্বাভাবিক রং যেমন—লালচে, গাঢ় লাল ।

> প্রস্রাবের সময় অতিরিক্ত কান্নাকাটি করা।

> প্রস্রাব হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া বা ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত তা না হওয়া।

> ঘন ঘন প্রস্রাব করা, অস্বাভাবিক দুর্গন্ধ, জ্বালাপোড়া। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়ার সঙ্গে পেটব্যথা, বমি, জ্বর ইত্যাদি।

> উচ্চ রক্তচাপ। তিন মাসের বেশি ক্ষুধামান্দ্য, দুর্বলতা, রক্তস্বল্পতা।

> বয়স অনুপাতে শারীরিক বৃদ্ধি না হওয়া।

এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। যথাসময়ে চিকিৎসা করা হলে রোগ সম্পূর্ণ সেরে যেতে পারে।

আরো খবর: