আপনিও জানুন অটিজমের লক্ষণ সমূহ

আপনিও জানুন অটিজমের লক্ষণ সমূহ

“অটিজম” বা “অটিস্টিক” শব্দটার সাথে আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত। কিন্তু বিষয়টা সম্পর্কে কে কতটুকু জানে বা জানাটা কতটুকু স্বচ্ছ সে ব্যাপারে সন্দেহের যথেষ্ট অবকাশ আছে। গ্রামে কিছুদিন পূর্বে কিংবা বলা যেতে পারে এখনও মনে করা হয় অটিস্টিক শিশুরা ও ব্যাক্তিরা জিন বা ভুতের আছরের শিকার। কিংবা এও মনে করা হয় তারা পাগল। শুধু গ্রাম কেন শহরের অনেক স্থানে এই ধারনা বা এই চিত্র বিদ্যমান।

অনেক ডাক্তারও এ বিষয় নিয়ে তাদের জ্ঞানকে অপ্রতুল মনে করেন। অনেক পরিবার বা ব্যাক্তি আছেন যারা অটিজম বা অটিস্টিক শব্দটির সাথে তখন পরিচিত হয়েছেন যখন তারা জানতে পেরেছেন যে তাঁদের পরিবারে বা তাঁদের কাছাকাছি কেউ এই অটিজম নামক সমস্যার মধ্যে অবস্থান করছে। অটিজম কি সমস্যা? হ্যাঁ এটা একটা সমস্যা। মনবিকাশগত সমস্যা। অনেকে এটাকে রোগ বলে অভিহিত করেন। কিন্তু অটিজম কোনভাবেই রোগ নয়।

অটিজমের লক্ষণগুলো অনেক সময় ১৮ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে পরিলক্ষিত নাও হতে পারে। অনেক সময় ২৪ মাস থেকে ৬ বছরের মধ্যে পরিলক্ষিত হতে পারে। দ্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেল্থ এন্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট চিহ্নিত লক্ষণগুলো হলো-

>বার মাস বয়সে শিশু কোনো শব্দ না করা। যেমন কু কু বু বু ইত্যাদি।
>বার মাস বয়সে কোনো কিছু পাওয়ার জন্য হাত বা দৃষ্টি দিয়ে দেখিয়ে না দেওয়া বা কোনো কিছু আঁকড়ে না ধরা।
>১৬ মাস বয়সের মধ্যে কোনো একটি শব্দ না বলা।
>২৪ মাস বয়সের মধ্যে দুটি শব্দ না বলা।
>আগে রপ্ত করা কোনো দক্ষতা যে কোনো সময় যে কোনো বয়সে কমে যাওয়া।

কিন্তু এই পাঁচটি লক্ষণ থাকলেই যে শিশু অটিজমের শিকার হবে তা নয়্ অটিজমের এই লক্ষণগুলো আরও ভালোভাবে নিউরোলজিস্ট, সাইকোলজিস্ট, ডেভেলপমেন্টাল পেডিয়াট্টিক, স্পিচ, অকুপেশনাল ও ফিজিক্যাল থেরাপিস্ট, লারনিং কনসালট্যান্ট, স্পেশাল এডুকেশন টিচার ও অটিজম সংক্রান্ত বিষয়ে দক্ষ গবেষক দ্বারা সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে শিশু অটিজমের শিকার কিনা তা নির্ণয় করতে হবে।

অটিজম নির্ণয়ে চিকিৎসা শাস্ত্রীয় কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা এখন পর্যন্ত প্রয়োগ করা হয় নেই। অটিজম শিশুর আচরণ পর্যবেক্ষণ করে নির্ণয় করা হয়।

সূত্র: তথ্য আপা

আরো খবর: