ভোলায় কোস্ট ট্রাস্টের উদ্যোগে- স্কুল ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগীতা

ভোলায় কোস্ট ট্রাস্টের উদ্যোগে- স্কুল ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগীতা

আদিল হোসেন তপু, ভোলা:- শিশু বিবাহ প্রতিরোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভোলায় স্কুল ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগীতা ও পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ভোলার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের শিবপুর বালিকা বিদ্যালয়ে এই প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। এসময় শ্রেনী ভিত্তিক রচনা প্রতিযোগীতারও আয়োজন করা হয়।bhola school camping pic-2-web

ইউনিসেফের সহযোগীতায় ব্যাসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কোস্ট ট্রাস্ট্রের (সিফরডিও ইসিএম) প্রকল্প যৌথ ভাবে এই প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়।
স্কুল কুইজ প্রতিযোগীতায় শিবপুর বালিকা বিদ্যালয়ের (৬ষ্ঠ-১০ শ্রেনীর) ২৫০ জন শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহন করে। পরে প্রতি ক্লাশ থেকে ৩জন করে সর্বমোট ১৫ জনকে পুরষ্কার বিতরন করা হয়।

পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: আলমগীর। এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন চ্যানেল-২৪ ভোলা জেলা প্রতিনিধি শিশু সংগঠক আদিল হোসেন তপু তালুকদার, স্কুলের সহকারী শিক্ষক রামজয় মজুমদার,মো: আল- আমিন,পারভীন বেগম, মো: নাসির উদ্দিন, মো: ইউসুফ, সোহাগ দেবনাথ প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন কোস্ট ট্রাস্ট সিফরডি প্রকল্পের ওয়ার্ড প্রমোটর মনজুরুল আলম, নাজমা ইয়াসমিন, আচিয়া আক্তার ঝর্না, কিশোর সদস্য আশিকুর রহমান শান্ত।

বিজয়ীরা হলেন- দশম শ্রেনীর ১ম স্থান- হাবিবা ২য় স্থান- ফেরদৌউস আক্তার লিজা ৩য় স্থান অধিকার করেন-মাইমুনা অক্তার। নবম শ্রেনীর বিজয়ীরা হলেন-১ম স্থান খাদিজা আক্তার ২য় স্থান- খাদিজা ৩য় স্থান অধিকার করেন তানিয়া। ৮ম শ্রেনীর ১ম স্থান-মুন্নী আক্তার ২য় স্থান-লিমা ৩য় স্থান অধিকার করেন লিজা। ৭ম শ্রেনীর বিজয়ীরা হলেন-১ম স্থান করেন শামীমা ২য় স্থান মিতু ৩য় স্থান অধিকার করে মরিয়ম। ৬ষ্ঠ শ্রেনীর বিজয়ীরা হলেন ১ম স্থান মীম ২য় স্থান খাদিজা ৩য় স্থান অধিকার করেন শারমিন আক্তার প্রমুখ।

পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে শিক্ষকরা বলেন, ১৮ বছরের কম বয়সে মেয়েদের বিবাহ হলে সেই মেয়েরা অনেক ঝুঁকির মধ্যে থাকে। তাদের সন্তানন ধারণ, জন্মদান ও লালন-পালনের জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবে তৈরি থাকে না। কিশোরী বয়সে বিয়ে হলে নানা রকম স্বাস্থঝুঁকিতে থাকে। কিশোরী মা অসুস্থ শিশুর জন্ম দেয়, এতে করে শিশুর ও মায়ের মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে।

তারা আরো বলেন, বাল্যবিবাহ কারণে বিদ্যালয়ে থেকে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। এটি রোধ করা না গেলে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হবে। এ জন্য অভিভাবক ও আমাদের শিক্ষকদের আরও বেশি আন্তরিক হতে হবে।

আরো খবর: