শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনীর শক্তির বিকাশে অনন্য উদ্যোগ

শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনীর শক্তির বিকাশে অনন্য উদ্যোগ

জান্নাতুল ফেরদৌস জুঁই (মানিকগঞ্জ): বিশ্ব ব্যাংক কর্তৃক বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কনফিডেন্স পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট,(সিপি আই) মানিকগঞ্জ থেকে আয়োজিত স্কিলস কম্পিটিশন ২০১৬ অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহন করে। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার, বিশ্ব ব্যাংক এবং কানাডা সরকারের আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন “স্কিলস এন্ড ট্রেনিং এ্যানহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট” তৃতীয় বারের মত কারিগরি শিক্ষাঙ্গনের সর্ববৃহৎ প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহনের জন্য অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যয়নরত ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এর শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনীর শক্তির বিকাশে ধারাবাহিক মুল্যায়ন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে ছিলেন এ ডি সি জেনারেল মানিকগঞ্জ জনাব মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।
আরো ছিলেন সাবেক অধ্যক্ষ, সরকারী দেবেন্দ্র কলেজ, মানিকগঞ্জ জনাব মো: ইন্তাজউদ্দিন আহম্মেদ এবং সুপারিনটেডেন্ট, সরকারী টেক্সাইল ভোকেশনাল ইন্সটিটিউটের মো: আমিনুল ইসলাম। মেলায় সর্বমোট ১০টি প্রজেক্ট উপস্থাপিত হয়। প্রজেক্টগুলো হলো SAFE ROAD ACCIDENT BY MAGNET , SAFE ROAD ACCIDENT BY SPRING, CONTROL ELECTRICITY BY MISSCALL, IRRIGATION WITH DIGITAL METHOD, DIGITAL APARTMENT METHOD, DIGITAL DUPLEX HOUSE, WEB DESIGN, DIGITAL CLOCK, FLOATING BRIDGE. প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার জনাব মো: আবদুর রাহমান প্রজেক্ট গুলো পরিদর্শন শেষে মন্তব্য করেন যে “আয়োজন করার মূল উদ্দেশ্য হল ছাত্রছাত্রীদের স্কিলকে আরও উন্নত করা এবং তাদের নতুন উদ্ভাবনী বাজারজাত করা। বর্তমান যুগের সাথে তাল মিলিয়ে কিভাবে সহজ পদ্ধতিতে মানুষের মাঝে প্রযুক্তিগুলো ছড়িয়ে দেওয়া যায়। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃজনশীলতা বাড়াতে এবং প্রসার করতে মেলাটির আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নের মাধ্যমেই দেশের উন্নযন করা সম্ভব।আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ চেয়েছেন। তাই কারিগরি শিক্ষার দ্রুত প্রসার করতে হবে”। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক জনাব মো: আমিনুল ইসলাম বলেন “ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং সকলের মাঝে সম্প্রসারন করতে এ ধরনের মেলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।” সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত মেলার প্রদর্শনী চলে। সারা দিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা পরিদর্শন করে এবং তাদের মতামত প্রদান করে। তাছারা অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থিরাও ব্যাপক উৎসাহের সাথে মেলায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করে।

আরো খবর: