দুস্থ এবং সুবিধা বঞ্চিত শিশুর জন্য একটি খাতা একটি কলম

দুস্থ এবং সুবিধা বঞ্চিত  শিশুর জন্য একটি খাতা একটি কলম

জান্নাতুল ফেরদৌস জুঁই (১৬),মানিকগজ্ঞঃ মানিকগঞ্জ শিশু সাংবাদিক ফোরামের একটি খাতা একটি কলম প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন । শিক্ষা থেকে দূরে থাকে না যেন কোন শিশু। শিশুদের স্কুলমুখী করতে এবং কোন শিশু যেন লেখা পড়া থেকে ছিটকে না পড়ে এমন চিন্তা মাথায় রেখে মানিকগঞ্জ জেলার শিশু সাংবাদিক ফোরাম উদ্যোগ নেয় একটি খাতা ও একটি কলম প্রকল্প। প্রকল্পটির উদ্দেশ্য দুস্থ এবং সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের স্কুলমুখী করা। তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়া। এরই ধারাবাহিকতায় আজ প্রকল্পটির শুভ উদ্বোধন হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় মানিকগঞ্জ জেলার বেউথা বস্তিতে। বেউথা বস্তিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আওতায় শিশু ও গণ শিক্ষা কেন্দ্রে সকাল ১০ টায় আনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।

20161110_110802-sobujbarta

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার । অন্যান্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খান বাহাদুর আওলাদ হোসেন কলেজের প্রভাষক রুহুল জামান সুজন, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস( সাবেক সাধারন সম্পাদক, মানিকগ্ঞ্জ প্রেস ক্লাব), নেহায়েত হাসান সবুজ ( সভাপতি, শহীদ রফিক সামাজিক কল্যাণ পরিষদ)।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মো: হাসান শিকদার, সভাপতি, শিশু সাংবাদিক ফোরাম এবং শিশু সাংবাদিক ফোরামের সকল সদস্যবৃন্দ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ শিশুদের সাথে অনেকটা সময় কাটান এবং শিশুদের সাথে শিক্ষামূলক আলোচনা এবং তাদের আভিবাবকদের সাথে মতবিনিময় করেন। সম্মানিত প্রধান আতিথি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন ,“ শিশুদের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে যেন, তারা শিক্ষার আালো থেকে বঞ্চিত না হয়। সকল শিশুকে নিয়মিত স্কুলে পাঠাতে হবে। ” তিনি আভিবাবকদের আরও সচেতন হতে বলেন। মতবিনিময় শেষে শিশু সাংবাদিক ফোরামের সদস্যবৃন্দ এবং অন্যন্যদের অর্থায়নে শিশুদের মাঝে একটি খাতা, একটি কলম ও একটি পেন্সিল বক্স দেওয়া হয়। এগুলো পেয়ে শিশুরা খুবই খুশি হয়। অনুষ্ঠানটি সম্পর্কে প্রভাষক রুহুল জামান সুজন বলেন , “ শিশুদের মাঝে এগুলো দেওয়াতে তারা আরও আগ্রহী হবে এবং শিক্ষার দিকে আরও এগিয়ে যাবে। আর শিশুরা শিক্ষার দিকে এগিয়ে গেলে দেশের উন্নয়ন হবে।” দীর্ঘ সময় শিশুদের সাথে কাটানোর পর বেলা সাড়ে ১১ টায় অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। শিক্ষা উপকরণ পেয়ে শিশু এবং অভিবাবকদের মুখে হাসি ফুটে উঠে এবং তারা তাদের সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে আরও আগ্রহী হয়।

আরো খবর: