বেড়েই চলেছে নারী শিশু নির্যাতন ও বিবাহ বিচ্ছেদ ।

বেড়েই চলেছে নারী শিশু নির্যাতন ও বিবাহ বিচ্ছেদ ।

রাসেল হোসাইন( ঢাকা): সাম্পতিক দিনগুলোতে পত্রিকার পাতা খুললেই দেখা যায় নারী, শিশু নির্যাতন ও বিবাহ বিচ্ছেদের মত বহু ঘটনা। এধরনের ঘটনা ঢাকায় যেমন বাড়ছে, তেমনি ঢাকার বাইরের জেলা গুলোতেও কোন অংশে কম নয়। বিভিন্ন কারনে অকারনে নারীদের ওপর নির্যাতন। শিশুদের চুরির মত অভিযোগ দিয়ে তাদের ওপর অত্যাচার করছে অর্থ লোভী, নারী লোভী, অত্যাচারী কিছু মানুষ।

বিভিন্ন এনজিও, নারী এক্টিভিস্ট, নারী মৈত্রী, শিশু ফোরাম গুলো নারী, শিশু নির্যাতন ও বিবাহ বিচ্ছেদের যটনার জন্য দারিদ্রতা, বাল্য বিবাহ ও যৌতুক প্রথাকেই বিশেষভাবে দায়ী বলে মনে করছেন।

নারী শিশু এক্টিভিস্ট ও ভিলেজ ইন্টাগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন এর সভাপতি জনাব মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘‘ বাল্য বিবাহের কারনে মেয়ে শিশুরা স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সঠিকভাবে জানে না। যার কারনে, ঐ সংসারে ঐ মেয়ের সাথে নানা কারনে ঝগড়া বিবাদের সৃষ্টি হয় এবং শেষ পর্যায়ে বিবাহ বিচ্ছেদের মত যটনা যটতে দেখা যায়।

আবার, কিছু নারী লোভী, অর্থ লোভী মানুষ আছে, যারা বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে মেয়ে পক্ষ থেকে নগদ অর্থ, ফার্নিচার সহ ব্যায়বহুল অনেক দ্রব্যাদি দাবী করে। তাদের যৌতুকের দাবী মেটাতে মেয়ে পক্ষ ব্যার্থ হলে বা অসমর্থ হলে ঐ মেয়ের ওপর শুরু করে অত্যাচার। এবং প্রায় সময়ই যৌতুকের জন্য তাকে শারিরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করে। ঐ অত্যাচার সহ্য করতে না পারার ফলশ্রুতিতে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে।”

শিশুদের নির্যাতনের ব্যাপারে তিনি বলেন, “ শিশুরা যেহেতু ছোট তাই কিছু অর্থ লোভী মানুষ তাদের সিমিত বেতনে কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ন কাজে নিয়োগ দেয়। এবং ঐ কাজে তার কোন ভুল হলে তাকে শারিরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করা হয়। তিনি আরও বলেন, “ বাংলাদেশের প্রচলিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে যে আইন রয়েছে তার যথাযথ প্রয়োগ করলেই বাল্য বিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।”

আরো খবর: