ফিদেল ক্যাস্ত্রো এক এক প্রতিবাদীর প্রতীক

ফিদেল ক্যাস্ত্রো এক এক প্রতিবাদীর প্রতীক

মোঃ আরিফ জাওয়াদ (১৫), দিনাজপুর:- পুরো নাম ফিদেল আলসান্দ্রো কাস্ত্রো রুজ হলেও ফিদেল কাস্ত্রো বা শুধু কাস্ত্রো নামেই বেশি পরিচিত সারা বিশ্ব জুড়ে। বিপ্লবী অকুতোভয় যোদ্ধা ; যার জন্মই হয়েছিল হয়েছিল মনে হয় অত্যাচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করার জন্য। তিনি একজন কিউবান রাজনৈতিক নেতা ও সমাজতন্ত্রী বিপ্লবী ও বটে। দেশের নাগরিকদের বিপ্লবের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন এ নেতা।

এ বিপ্লবী মানুষটির জন্ম ১৯২৬ সালের ১৩ই আগস্ট কিউবার পূর্বাঞ্চলে বিরান জেলায় স্পেনীয় বংশোদ্ভূত এক অভিবাসী পরিবারে। ক্যাস্ত্রো বাবা ছিলেন আখের খামারের মালিক।

ইন্টারনেট নির্ভর বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়া থেকে জানা যায়, হাভানা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়ার সময় থেকে শুরু হয় তার রাজনৈতিক জীবন। এরপর কিউবার রাজনীতিতে একজন বিখ্যাত ব্যক্তিতে পরিণত হন। তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় প্রেসিডেন্ট ফালজেন্সিও বাতিস্তা এবং কিউবার উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রভাবের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী সমালোচনা নিবন্ধ লিখে। স্বৈরশাসনকে ক্ষমতাচ্যুত করে কিউবাকে একদলীয় সমজতান্ত্রিক দেশ হিসেবে রূপ দেন এ নেতা।

১৯৫৯ থেকে ডিসেম্বর ১৯৭৬ পর্যন্ত কিউবার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, এবং এরপর ফেব্রুয়ারি ২০০৮-এ তাঁর স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত কিউবা কিউবার মন্ত্রী পরিষদের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

শুধু কিংবাতেই নয় ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে (তৎকালীন বিশ্বে গেরিলা যুদ্ধে) সমর্থন ছিল এ নেতার।

যার দৃষ্টান্ত মিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ হয়ে বলা, “আমি হিমালয় দেখিনি, কিন্তু শেখ মুজিবকে দেখেছি।” অন্যদিকে ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবার সহ হত্যাকাণ্ডের বর্বরতায় দুঃখ নিয়ে বলেন, “শেখ মুজিবের মৃত্যুতে বিশ্বের শোষিত মানুষ হারাল তাদের একজন মহান নেতাকে, আমি হারালাম একজন অকৃত্রিম বিশাল হৃদয়ের বন্ধুকে।”

এ বিপ্লবী অকুতোভয় যোদ্ধা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও, তার কর্মকাণ্ড জানিয়ে দিচ্ছে চিরকাল বেঁচে থাকবেন এ মানুষটি। তিনি যেন এক প্রতিবাদীর প্রতীক।

আরো খবর: