প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত শুক্রবার ০৭/০৪/২০১৭ তারিখে “সকালের খবর” নামক পত্রিকায় সারাদেশ নামক পেইজে, দুই কলাম ব্যাপীয়া “শিক্ষার্থীকে উক্ত্যক্ত দফতরিকে কানধরে ওঠ বস, মুচলেকা” শীর্ষক শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে দফতরির বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে, আমি উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি ওক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমি উক্ত ঘটনার অসত্য অভিযোগের অসহায় ভিকটিম মোঃ ইয়ামীন। উল্লেখ্য কথিক অভিযোগকারী আর আমার বাড়ি পাশাপাশি অবস্থিত, অভিযোগ সাপেক্ষে কর্তৃপক্ষের তদন্তে সত্যতা পাওয়া যায়নি। অভিযোগকারী অভিভাবকের সাথে আমার ও আমার পরিবারের দীর্ঘদিন যাবৎ পারিবারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ক ও বিদ্যালয়ের চাকুরীতে তার প্রার্থী নিয়োগ না পাওয়ায় দ্বন্দ চলিয়া আসিতেছে। যা কিনা ভিত্তিহীন অভিযোগের অভিযোগকারী অভিভাবক বিভিন্ন সময় দরবার- শালিশের মাধ্যমে নির্যাতন করিয়া, হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়া আমাকে চাকুরীচ্যুত করার চেষ্টায় অব্যাহত আছে মর্মে ঘটনার প্রকাশের ৫ দিন পূর্বেই গত ০২/০৪/২০১৭ তারিখে “গফরগাঁও মডেল থানায়” আইনের আশ্রয় গ্রহন করি (কপি সংযুক্ত)। অতপর অভিযোগ থানা হইতে খারিজ করানোর জন্য আমার উপর শালীশি হয়রানী, নির্যাতন ও হামলার মাত্রা বাড়িয়া গেলে আমার জান- মাল- চাকুরীর হেফাজত করার স্বার্থে গত ৪/৪/২০১৭ তারিখে জেলা ময়মনসিংহের বিজ্ঞ আদালতে আসিয়া বিবাদীগনের বিরুদ্ধে ২৭০/২০১৭ মামলা দায়ের করি। বিবাদীগন মামলা প্রত্যাহারে চাপ প্রয়োগ করিলে, আমি অস্বীকৃতি জানাই। পরবর্তীতে তাহারা আমাকে সার্বক্ষণিক স্কুল ডিউটি থেকে জোড় পূর্বক ইউঃ পরিঃ চেয়ারম্যান সাহেবের কার্যালয়ে লইয়া যাইয়া আমার বিচারের নামে প্রহসন করিয়া আমাকে লাঞ্চিত ও শারিরীক শাস্তির দন্ড প্রদান করেন এবং ৪/৫ জায়গায় চেয়ারম্যান সাহেবের নির্ধারিত প্যাডের কাগজে আমার স্বাক্ষর আদায় করেন। উল্লেখ্য আমি শালীশকারীগনকে বারে বারে আকুতি জানাই যে, “মামলা চলমান, আদালতে বিচারাধীন বিধায় আপনারা আমাকে একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্মচারী হিসেবে শালীশ- দরবারের মাধ্যমে দন্ড প্রদান করিতে পারেন না, এটা “স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯” এর বিধি বহির্ভূত, আমার অপরাধ প্রমানিত হইলে আমাকে প্রচলিত ফৌজদারী ও দেওয়ানী আইনে অভিযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট আদালতে আমার বিচার করা হউক”। প্রত্যুতরে স্বার্থান্বেষী শালীশকারীগন গায়ের জোড়ে জানান যে “নারায়নগঞ্জের হাইস্কুলের হেড মাস্টার কান ধরে উঠবস করে শালীস দরবারে জান বাঁচায় -মুচলেকা দেয়, হাইকোর্ট করে , আর তুইতো সাধারন কর্মচারী, তোর আত্মহত্যা করা উচিত, তোর তো জীবীত থাকারই অধিকার নেই, প্রভাবশালীদের কথার সাথে জবাব দিস, আইন বলিস। এই ঘটনার পরও যদি চাকুরী হইতে ইস্তফা না দিস, মামলা প্রত্যাহার না করিস, তাহলে দেখ তোর কী হাল করি। অতীতে আমার বিরুদ্ধে কোন নারী ঘটিত মামলার রেকর্ড নাই, এটা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমার দ্বারা শারিরীক ও মানসিক নির্যাতনের কারনে স্কুল ছাড়িয়া একাধিক বাচ্চা চলিয়া যাচ্ছে মর্মে সংবাদের সত্যতা ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিদিনকার হাজিরা খাতা (তা অভিযোগ প্রমান করে না)। “সকালের খবর” “গফরগাঁও প্রতিনিধি” সকল তথ্য জানার পরও পক্ষাশ্রীত হইয়া পত্রিকায় ভুল ও অসত্য তথ্য পরিবেশন করিয়া আমার এবং বিদ্যালয়ের যে সুনাম ও সম্মানহানি করিয়াছেন তা সাংবাদিকতার মহৎ পেশা বিরুদ্ধ, দায়িত্বহীন ও পক্ষদুষ্ট কাজ। আমি উক্ত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানাই নিবেদক মোঃ ইয়ামিন দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী ৫, ইসলামপুর দর্গাভিটা স,প্রা,বি ,গফরগাঁও, ময়মনসিংহ।

আরো খবর: